সেদিন বাসে কোন এক জায়গায় যাচ্ছিলাম, পাশের সিট ফাঁকায় ছিল, কিছুটা পথ যাওয়ার পর এক ভদ্রমহিলা উঠলো পরে আমাকে এসে উঠে অন্য সিটে চলে যেতে বলল আমি তার কথার রেসপন্স করলাম না সাধারণত আমি অপরিচিত মহিলারা যদি কথা বলতে চায় তাদেরকে এভয়েড করি, সেরকমই তাকেও এভোয়েড করলাম সে বুঝতে পারল আমি ইন্টারেস্টেড না তারপর সে আমাকে বলল সাইট দেন আমি কোন শব্দ না করেই তাকে সাইড দিলাম,সে পাশের সিটে এসে বসে পড়ল। সে বসলো এবং তার পাশে তার ব্যাগ রাখলো তারপরে আমি বসলাম। পাবলিক বাসের সিট একজন বসার পর যদি তার ব্যবহৃত ব্যাগ রাখে তাহলে আর কতটুকু জায়গা থাকে? আমি ততটুকু জায়গাতেই খুব চেপে পা বাইরের দিকে বের করে দিয়ে বসলাম। কারন একটাই অন্তত হাত পায়ের টাচ যেন না লাগে তার সাথে।
৫-৭ মিনিট জার্নি করার পর হঠাৎ করে সে বলে উঠলো আমাকে: সোজা হয়ে বসেন আপনার হাত আমার গায়ে লাগল কেন? আমি বললাম যে, আপনার গায়ে আমার হাত লাগল অথচ আমি টেরই পেলাম না তা কি করে হয়।?
বেচারী তখন বলল আরও একবার লেগেছিল তখন আমি বলি নাই আমি বললাম আপনার গায়ে আমার হাত লাগছে আগেও সে বলল হ্যাঁ লাগছে।
আমার এমন রাগ ধরল তার ব্যাগটা উঠে ছুড়ে ফেলে দিতে চাইলাম কিন্তু সে ধরে রাখল তাই পারলাম না। তারপর বললাম আপনি সিটের তিনভাগের দুই ভাগ অংশ নিয়ে বসে রয়েছেন তারপরও আপনার জায়গা হচ্ছে না? আপনার গায়ে লাগতেছে অন্যজন? আর আমি কিনা অল্প একটু জায়গায় কোন মতে বসে আছি তারপরও আপনার গায়ে লাগতেছে?.
আমি এমন ভাবে রাগ দেখাইলাম সে আমার পরিস্থিতি দেখে বুঝতে পারল যে আমি তারে থাপ্রাইতে পারি এজন্য সে শান্ত হয়ে গেল।
তবে এটা সত্যিই সে যদি তখন শান্ত না হয়ে আমার সাথে বেশি রাগারাগি করত আমি তারে সত্যিই থাপ্পর মারতাম এবং এক থাপ্পড় খাওয়ার পর তার হুঁশ ফিরে আসত।
কারণ আমি তেমন লোক যারে কেউ যদি মিথ্যা অপবাদ দেয় তাহলে সব থেকে বেশি রিয়াক্ট করি যেন ভবিষ্যতে কোনদিন আমার সামনে মিথ্যা কথা বলার সাহস না করে।
তারপর কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করার পর আমার গন্তব্য চলে আসে আমি নেমে যাই ।
তখনো রাগে গা জ্বলজ্বল করছিল কিন্তু রাগটা কন্ট্রোল রেখেছিলাম।
পরে বুঝতে পারছিলাম যে, সে কেন আমার সাথে এমন করেছিল কারণ এটাই, আমি সিট ছেড়ে দেই নাই এই জন্য তার রাগছিল আমার উপর। তাই একটু রাগ মেটানোর চেষ্টা করেছিল।

Comments
Post a Comment